এরপর ধীরে ধীরে বিভিন্ন সংগঠন এবং স্কুলগুলোতে শিশুদের ছবি আঁকা নিয়মিতভাবে হতে থাকে। বর্তমানে শিশু চিত্রকলা বিষয়টি বাংলাদেশের সংস্কৃতি চর্চার একটি বিশেষ বিষয়। সেই সময় কেন্দ্রীয় কচি- কাঁচার মেলার পরিচালক রোকনুজ্জামান খান। তিনি শিশু চিত্রকলাকে শিশুদের প্রতিভা বিকাশে ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম বিবেচনা করে এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। শিল্পী হাশেম খানের চিন্তা, অভিনব ও আনন্দদায়ক পদ্ধতির কারণে শিশুরা ছবি আঁকায় দারুণ মজা পেত। অল্পদিনের মধ্যেই নিজের সন্তানকে ছবি আঁকা চর্চা করতে বাবা-মা ও অভিভাবকরাও উৎসাহী হয়ে ওঠেন। হাশেম খান ও রোকনুজ্জামান খানের চেষ্টায় নানারকম প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতার মাধ্যমেই শিশু চিত্রকলার প্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে। তাই বলা যায়, শিল্পী হাশেম খান, রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই এই দুজনের দীর্ঘদিনের চেষ্টায় বাংলাদেশে শিশু চিত্রকলা বিষয়টি সংস্কৃতি চর্চার একটি স্বাভাবিক বিষয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। অবশ্য তাঁরা শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের পরামর্শ ও প্রেরণা সব সময় পেয়ে এসেছিলেন।
| কাজ: 'জয়নুল শিশু কলাভবন' কোথায় অবস্থিত? এ প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তোমার খাতায় ৮ লাইন লেখো। |
Read more